1. newsbhorerdhani@gmail.com : admin2021 : admin2021 admin2021
  2. editor@dailybhorerdhani.com : dailybhorer dhani : dailybhorer dhani
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম::
আশুলিয়ায় রাজু হাত থেকে রক্ষা পেতে থানায় সাধারন ডায়েরি (জিডি) আশুলিয়ায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এক ইমামের মিথ্যা অভিযোগ, প্রতিবাদে ঐ মসজিদের মুসুল্লিগন। আশুলিয়ায় ফেক আইডির বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ, জানিয়েছেন চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন মাদবর বিরামপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী মোটর শ্রমিক ও কুলি পরিবারের মাঝে বিতরণ করোনা ভাইরাসে রেকর্ড ২৫৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫১৯২ রাজারহাটে ১ শত পরিবারের মাঝে সেনাবহিনীর ত্রান বিতরণ ভেজাল ঔষধের সমাহার গাজীপুরে বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রে ভূমিধস ॥ অন্তত ৩৬ জনের মৃত্যু খুলনা বিভাগে করোনায় মৃত্যু ৩৩ জনের, মোট মৃত্যু ২০২৩ ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী করোনা বদলে দিয়েছে আমাদের চিরচেনা জগৎ ॥ সেতুমন্ত্রী আশুগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদকে সিলেট রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা কারাগারে ক্যান্টিনের ও মোবাইল ফোন জাবিন সহ কোটি টাকার বাণিজ্য জেলার ইউসুফের।

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ১৬ সময় দর্শন

জেলা প্রতবনিধি বরগুনা।

বরগুনা জেলা কারাগারের জাবিন বা খালাস    বাহিরে ক্যান্টিনে দ্বিগুন দুর্নীতি ও অনিয়ম ভাবে  দামে মালামাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে কারা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। রান্না করা ১

কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৩শ টাকা ও এক কেজি গরুর মাংসের দাম ১৬শ টাকা দরে বিক্রি হয় বলে এবং সাবিনা খালাস ও মোবাইল ফোনের বাণিজ্য সহ অভিযোগ  কারাবরণ করে জামিনে বের হয়ে আসা লোকজনের। এ ছাড়াও একপিস ডিম বিক্রি হয় ৬০ টাকায়। এক পিস পাঙ্গাস মাছ ১০০ টাকায়, ৫০ টাকার এক প্যাকেট বেকারী বিস্কুট ১০০ টাকা দামে বিক্রি হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

জামিনে বের হয়ে আসা আসামীদের এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবী করেছে জেলার। তবে জেল সুপার বলছেন, কারাগারে চা-পরাটা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। আর জেলা প্রশাসকের দাবী কারাগারে থাকা মানুষদের উপর কোনো অনিয়ম সহ্য করবে না প্রশাসন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে গত ৩০ এপ্রিল গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যায় বামনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সোনাখালী এলাকার রাফিন জোমাদ্দার আকাশ। কারাগারে গিয়ে সব খাবার সামগ্রীর দ্বিগুনর অধিক দামে ক্রয় করতে হয়েছে তার। সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে বুধবার (৩০ জুন) রাফিন বলেন, কারাগারে খাবারের মান খুবই নিম্ন। ভাত থেকে দূর্গন্ধ আসে। একদিন মাছ রান্না করে। একদিন মাংস রান্না করে। তবে নামে মাত্র মাছ আর মাংস রান্না করেন কারা কর্তৃপক্ষ। মাছ-মাংস শুধু নামেই, বাস্তবে দেখা যায় না। তাই বাধ্য হয়ে খাবার কিনে খেতে হয়। কারাগারের কেন্টিনে এক কেজি ব্রয়লার মুরগী রান্না করে বিক্রি করে ১৩শ টাকায়। রান্না করার পর সেই এক কেজি মুরগী তাদের দেয়া হয় না। তা থেকেও অন্যদের কাছে বিক্রি করে। আমি বাধ্য হয়ে ৬ জনকে সাথে নিয়ে খাবার কিনতাম। গরুর মাংসের দাম রাখা হয় ১৬শ টাকা। এক কাপ রং চা ১০ টাকা। একটি পরাটা(সাইজে ছোটো) ১০টাকা।

তিনি আরও বলেন, কারাগারে প্রত্যেক মানুষ এমন দ্বিগুন অধিক দামে খাবার ক্রয় করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে অনাহারে রেখে মারধার করা হয়। কারাগারের মধ্য মানুষ অসহায় অবস্থায় আছে। বাহির থেকে দেখলে কেউ অনুভব করতে পারবে না।

সম্প্রতি জামিন বের হয়ে আসা আরেক আসামী বামনার মিজানুর রহমান সুমন বলেন, কারাগারের ক্যান্টিনে সব কিছুর দাম ডাবল। আমি অবাক হয়েছি। প্রতিদিন চড়া দামে ক্যান্টিন থেকে খাবার বিক্রি করে মাসে অন্তত ২০ লাখ টাকা বানিজ্য করে জেলার। ২৫ টাকার কোমল পানীয় বিক্রি করে ৫০ টাকায়। ৫০ টাকার এক প্যাকেট বেকারি বিস্কুট তারা বিক্রি করে ১০০ টাকা। রান্না করা সরকারি খাবারের মান এতো খারাপ যে মুখে নিলে বমি চলে আসে। বদ হজম হয়। জেলা প্রশাসক পরিদর্শনে আসলে শুধু ওই দিন মোটামুটি খাবার উপযোগী থাকে। কারাগারে মানুষ যে কতোটা অসহায় তা বলে বুঝানো যাবে না।

জামিনে বের হওয়া হাজতি আসামি আজিম বলেন, সরকারিভাবে দেয়া খাবারের মান খুবই খারাপ। নামেমাত্র খাবার দেয় তারা। যাতে হাজতীরা বাধ্য হয় ক্যান্টিন থেকে খাবার ক্রয় করতে। তবে ক্যান্টিনের খাবার ক্রয় করতে গেলে গলাকাটার মতো অবস্থা হয়। এক কেজি ব্রয়লার ১৩শ টাকা। এমন সব পণ্যের দাম দ্বিগুন। কারাগারে থাকা অবস্থায় এসবের প্রতিবাদও করা যায় না।

এসব অভিযোগের বিষয়ে বরগুনা জেলা কারাগারে জেলার ইফতেখার ইউসুফ বলেন, ঠিক আছে ভাই আপনি আমার অফিসে আইসেন সরাসরি কথা বলব। এটা আমার জেলখানার ডাক্তার আছে তার সাথে একটু ঝামেলা হয়েছিল তাই  তিনিই এই মিথ্যা তথ্য দিয়ে আপনাদের বিভ্রান্তি করছে। আপনি অফিসে আইসেন কথা হবে।

এ বিষয়ে বরগুনা জেল সুপার নাজমুল হোসেন বলেন, আমার কাছে তো কোন প্রমান নেই যে আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। যদি ভিতরে আসামিদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়া হয়, সেই বন্দীরা আমার কাছে লিখিত অভিযোগ করুক আমি ব্যবস্থা নেব। কেউ যদি প্রমান সহকারে আমার কাছে অভিযোগ না করে তাহলে আমি কিভাবে ব্যবস্থা নেব।

এবিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসক ডিসি হাবিবুর রহমান জানান, এবিষয় আমার জানা ছিল না। আমি জেলার কে ডাকবো এবং তদন্ত করবো। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই তার বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন   এর একটি অনলাইন পত্রিকায় সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোটা টাকার বিনিময়। চোখ রাখুন দৈনিক ভোরের বাধি পত্রিকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Somoyerkontha.com

© All rights reserved © 2020-2021 Dailybhorerdhani.com
Theme Customized By BreakingNews